আরশ থেকে সিঞ্চিত ‘রাহমান’ নামের সুধায়
যিনি করুণার মেঘে ভিজিয়ে দেন নক্ষত্রপুঞ্জ;
অস্তিত্বের প্রতিটি অণু যখন তাঁরই গান গায়,
তখন মহাকালের পাতায় ফুটে ওঠে এক নিগুঢ় কৃতজ্ঞতা।
সৃষ্টির এই যে বিশাল কোলাহল,
আসলে তা এক একক পালকের পরম মমতায় বেড়ে ওঠা।
যিনি মহাপ্রলয়ের কিনারে দাঁড়িয়ে থাকা বিচারালয়,
যার হাতে ধরা থাকে বিচারের অগ্নিকণা ও জলছায়া।
আমরা তো সেই অতীন্দ্রিয় কুয়াশায় নিমজ্জিত তৃষ্ণার্ত সত্তা,
যারা একমাত্র তোমারই দহনে পরিশুদ্ধ হতে চাই—
তোমারই অসীম শূন্যতায় খুঁজি সাহায্যের অমর সুধা।
হে অনাদি মহা মহিম সত্তা,
আমাদের নিয়ে চলো সেই ঋজু রেখায়—
যেখানে ছায়া নেই, শুধু আছে স্থির হিরণ্ময় দ্যুতি।
সেইসব নক্ষত্রপথের যাত্রী করো আমাদের,
যাদের আত্মার উঠোনে তুমি নেয়ামতের জ্যোৎস্না ছড়িয়েছ।
আমাদের ফিরিয়ে নাও সেই পথ থেকে—
যেখানে বৃষ্টির বদলে ঝরে অভিশপ্ত ধূলিকণা,
যেখানে ছায়ার গোলকধাঁধায় পথ হারায় ভ্রষ্ট নক্ষত্রেরা।
আমরা কেবল তোমারই আলোয় ফিরতে চাই,
হে পরম দয়ালু, মহাজাগতিক অস্তিত্বের মূল।






মতামত দিন-