পেশাগত জীবনের যান্ত্রিকতা আর হৃদয়ের গহীনের সংবেদনশীলতা—এই দুই ভিন্ন স্রোতের মোহনায় দাঁড়িয়ে একজন মানুষ মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রিয়। তিনি কেবল একজন কর্পোরেট ব্যক্তিত্ব নন, বরং এক আজন্ম কৌতূহলী ও জ্ঞানপিপাসু পথিক, যিনি জীবনের প্রতিটি বাঁকে নতুন কিছু শেখার নিরন্তর অন্বেষণে রত।
পেশাদারিত্বের আঙিনায়: বর্তমানে তিনি একটি স্বনামধন্য বহুজাতিক ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ফ্যাক্টরী অফিসে ‘মানব সম্পদ ও প্রশাসন’ বিভাগের গুরুদায়িত্ব পালন করছেন। যন্ত্রের ছন্দ আর মানুষের শ্রম যেখানে একাকার হয়ে যায়, সেখানে তিনি নিপুণ হাতে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও মানবিক সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা করে চলেন।
সাহিত্যের মলাটে জীবনের হাহাকার: দাপ্তরিক ফাইলের ভিড়েও তাঁর ভেতরকার সৃজনশীল সত্তাটি কখনো ম্লান হয় না। তাঁর লেখনীর মূল উপজীব্য হলো—ইসলামী আধ্যাত্মিকতার নিগূঢ় তত্ত্ব, সমাজের সেইসব ব্রাত্য ও অপাংক্তেয় মানুষের অব্যক্ত আর্তনাদ এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর বঞ্চনার করুণ আখ্যান। ছোটগল্প, কবিতা কিংবা প্রবন্ধের প্রতিটি ছত্রে তিনি নির্যাতিত মানবতার হাহাকারকে কলমের ডগায় জীবন্ত করে তোলেন। সমসাময়িক সময়ের বিচিত্র অসঙ্গতি তাঁর কলমে ফুটে ওঠে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে।
মনন ও অবসর: যখনই যান্ত্রিক শহর শান্ত হয়, শফিকুল ইসলাম প্রিয় ডুব দেন ইতিহাসের অতল গহ্বরে। ইসলামী ইতিহাসের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় আর ধ্রুপদী সাহিত্যের পাতায় তিনি খুঁজে পান আত্মিক শান্তি ও চিন্তার খোরাক। এই নিরন্তর অধ্যয়নই তাঁর সৃজনশীল চেতনার মূল রসদ।
ডিজিটাল ক্যানভাসে ভাবনা: শুধুমাত্র শব্দের বুননেই নয়, আধুনিক প্রযুক্তির ইউটিউব প্লাটফর্মেও তিনি তাঁর ভাবনার প্রতিফলন ঘটান। ভিডিও নির্মাণের মাধ্যমে তিনি তাঁর বার্তা পৌঁছে দেন অগণিত মানুষের দ্বারে, যেখানে শিক্ষার সাথে মিশে থাকে জীবনবোধের এক গভীর দর্শন।
ডিভোর্স
কেন কুরআন জনে জনে নাযিল হয়নিঃ একটি মারেফতি বিশ্লেষণ
অস্তিত্বের অন্ধকার মহল
সরকারী হাসপাতালের অসুস্থ যন্ত্রের আর্তনাদ
মহিমা অপার
অস্তিত্বের কুয়াশা








সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ